এক কথায় প্রকাশ


বাংলা এক কথায় প্রকাশ লিস্ট / গুরুত্বপূর্ণ


যা সম্পন্ন করতে বহু ব্যয় হয় → ব্যয়বহুল ।

যা খুব শীতল বা উষ্ণ নয় → নাতিশীতোষ্ণ ।

যার বিশেষ খ্যাতি আছে → বিখ্যাত ।

যা আঘাত পায় নি → অনাহত ।

যা উদিত হচ্ছে → উদীয়মান ।

যা ক্রমশ বর্ধিত হচ্ছে → বর্ধিষ্ণু ।

যা পূর্বে শোনা যায় নি → অশ্রুতপূর্ব ।

যা সহজে ভাঙ্গে → ভঙ্গুর ।

যা সহজে জীর্ণ হয় → সুপাচ্য ।

যা খাওয়ার যোগ্য → খাদ্য ।

যা চিবিয়ে/চর্বণ করে খেতে হয় → চর্ব্য ।

যা চুষে খেতে হয় → চোষ্য ।

যা লেহন করে খেতে হয়/লেহন করার যোগ্য → লেহ্য ।

যা পান করতে হয়/পান করার যোগ্য → পেয় ।

যা পানের অযোগ্য → অপেয় ।

যা বপন করা হয়েছে → উপ্ত ।

যা বলা হয়েছে → উক্ত ।

যার তল স্পর্শ করা যায় না → অতলস্পর্শী।

যার নাম কেউ জানে না → অজ্ঞাতনামা।

যার পত্নী গত হয়েছে → বিপত্মীক।

যার ভাতের অভাব → হাভাতে।

যার মমতা নেই → নির্মম।

যার তুলনা হয় না → অতুলনীয়।

যার সীমা নেই → অসীম।

যার তুলনা নেই → অতুলনীয়।

যার অন্ত নেই → অন্তহীন।

যার শত্রু জন্মায়নি → অজাতশত্রু।

যার বিশেষ খ্যাতি আছে → বিখ্যাত ।

যার কোনো কিছুতে ভয় নেই → অকুতোভয়।

যার অন্য উপায় নেই → অনন্যোপায়।

যার কাজ করার শক্তি আছে → সক্ষম।

যার আকার নেই → নিরাকার।

যার পীড়া হয়েছে → পীড়িত।

যার উপস্থিত বুদ্ধি আছে → প্রত্যুৎপন্নমতি।

যার বংশ পরিচয় এবং স্বভাব কেউই জানে না → অজ্ঞাতকুলশীল ।

যার অন্য উপায় নেই → অনন্যোপায় ।

যার কোন উপায় নেই → নিরুপায় ।

যার উপস্থিত বুদ্ধি আছে → প্রত্যুৎপন্নমতি ।

যার সর্বস্ব হারিয়ে গেছে → সর্বহারা, হৃতসর্বস্ব ।

যার কোনো কিছু থেকেই ভয় নেই → অকুতোভয় ।

যার আকার কুৎসিত → কদাকার ।

যা সম্পন্ন করতে বহু ব্যয় হয় → ব্যয়বহুল ।

যা খুব শীতল বা উষ্ণ নয় → নাতিশীতোষ্ণ ।

যা আঘাত পায় নি → অনাহত ।

যা উদিত হচ্ছে → উদীয়মান ।

যা ক্রমশ বর্ধিত হচ্ছে → বর্ধিষ্ণু ।

যা পূর্বে শোনা যায় নি → অশ্রুতপূর্ব ।

যা সহজে ভাঙ্গে → ভঙ্গুর ।

যা সহজে জীর্ণ হয় → সুপাচ্য ।

যা খাওয়ার যোগ্য → খাদ্য ।

যা চিবিয়ে/চর্বণ করে খেতে হয় → চর্ব্য ।

যা চুষে খেতে হয় → চোষ্য ।

যা লেহন করে খেতে হয়/লেহন করার যোগ্য → লেহ্য ।

যা পান করতে হয়/পান করার যোগ্য → পেয় ।

যা পানের অযোগ্য → অপেয় ।

যা বপন করা হয়েছে → উপ্ত ।

যা বলা হয়েছে → উক্ত ।

যার তল স্পর্শ করা যায় না → অতলস্পর্শী।

যার বিশেষ খ্যাতি আছে → বিখ্যাত।

যার নাম কেউ জানে না → অজ্ঞাতনামা।

যার পত্নী গত হয়েছে → বিপত্মীক।

যার ভাতের অভাব → হাভাতে।

যার মমতা নেই → নির্মম।

যার তুলনা হয় না → অতুলনীয়।

যার সীমা নেই → অসীম।

যার তুলনা নেই → অতুলনীয়।

যার অন্ত নেই → অন্তহীন।

যার শত্রু জন্মায়নি → অজাতশত্রু।

যার কোনো কিছুতে ভয় নেই → অকুতোভয়।

যার অন্য উপায় নেই → অনন্যোপায়।

যার কাজ করার শক্তি আছে → সক্ষম।

যার আকার নেই → নিরাকার।

যার পীড়া হয়েছে → পীড়িত।

যার উপস্থিত বুদ্ধি আছে → প্রত্যুৎপন্নমতি।

যার বংশ পরিচয় এবং স্বভাব কেউই জানে না → অজ্ঞাতকুলশীল ।

যার অন্য উপায় নেই → অনন্যোপায় ।

যার কোন উপায় নেই → নিরুপায় ।

যার উপস্থিত বুদ্ধি আছে → প্রত্যুৎপন্নমতি ।

যার সর্বস্ব হারিয়ে গেছে → সর্বহারা, হৃতসর্বস্ব ।

যার কোনো কিছু থেকেই ভয় নেই → অকুতোভয় ।

যার আকার কুৎসিত → কদাকার ।

যা বলার যোগ্য নয় → অকথ্য।

যা চুষে খাওয়া যায় → চুষ্য ।

যা জলে জন্মে → জলজ।

যা দেখা যাচ্ছে → দৃশ্যমান।

যা পূর্বে ছিল এখন নেই → ভূতপূর্ব।

যা একইভাবে চলে → গতানুগতিক।

যা বাক্যে প্রকাশ করা যায় না → অবর্ণনীয়।

যা কষ্ট করে জয় করা যায় → দুর্জয়।

যা হবেই/হইবে → ভাবী।

যা সহজে দমন করা যায় না → দুর্দমনীয়।

যা মাটি ভেদ করে ওঠে → উদ্ভিদ।

যা ফুরায় না → অফুরান।

যা জলে চরে → জলচর।

যা কষ্টে লাভ করা যায় → দুর্লভ।

যা পূর্বে ঘটেনি → অভূতপূর্ব।

যা বনে চরে → বনচর।

যা সহজেই ভেঙে যায় → ঠুনকো।

যা দমন করা যায় না → অদম্য।

যা দমন করা কষ্টকর → দুর্দমনীয়।

যা নিবারণ করা কষ্টকর → দুর্নিবার।

যা পূর্বে ছিল এখন নেই → ভূতপূর্ব ।

যা বালকের মধ্যেই সুলভ → বালকসুলভ ।

যা বিনা যত্নে লাভ করা গিয়েছে → অযত্নলব্ধ ।

যা ঘুমিয়ে আছে → সুপ্ত ।

যা বার বার দুলছে → দোদুল্যমান ।

যা দীপ্তি পাচ্ছে → দেদীপ্যমান ।

যা সাধারণের মধ্যে দেখা যায় না → অনন্যসাধারণ ।

যা পূর্বে দেখা যায় নি → অদৃষ্টপূর্ব ।

যা কষ্টে জয় করা যায় → দুর্জয় ।

যা কষ্টে লাভ করা যায় → দুর্লভ ।

যা অধ্যয়ন করা হয়েছে → অধীত ।

যা অনেক কষ্টে অধ্যয়ন করা যায় → দুরধ্যয় ।

যা জলে চরে → জলচর ।

যা স্থলে চরে → স্থলচর ।

যা সহজে অতিক্রম করা যায় না → দুরতিক্রমনীয়/দুরতিক্রম্য ।

যা জলে ও স্থলে চরে → উভচর ।

যা বলা হয় নি → অনুক্ত ।

যা কখনো নষ্ট হয় না → অবিনশ্বর ।

যা মর্ম স্পর্শ করে → মর্মস্পর্শী ।

যা বলার যোগ্য নয় → অকথ্য ।

যা চিন্তা করা যায় না → অচিন্তনীয়, অচিন্ত্য ।

যা কোথাও উঁচু কোথাও নিচু → বন্ধুর ।

যে নৌকা চালায় → মাঝি।

যেখানে লোকজন বাস করে → লোকালয়।

যে উপকারীর উপকার স্বীকার করে → কৃতজ্ঞ।

যে হিংসা করে → হিংসক।

যে উপকারীর অপকার করে → কৃতঘ্ন।

যে বিদেশে থাকে → প্রবাসী।

যে আকাশে চরে → খেচর।

যে কোন বিষয়ে স্পৃহা হারিয়েছে → বীতস্পৃহ ।

যে শুনেই মনে রাখতে পারে → শ্রুতিধর ।

যে বাস্তু থেকে উৎখাত হয়েছে → উদ্বাস্তু ।

যে নারী নিজে বর বরণ করে নেয় → স্বয়ংবরা ।

যে গাছে ফল ধরে, কিন্তু ফুল ধরে না → বনস্পতি ।

যে রোগ নির্ণয় করতে হাতড়ে মরে → হাতুড়ে ।

যে নারীর সন্তান বাঁচে না/যে নারী মৃত সন্তান প্রসব করে → মৃতবৎসা ।

যে গাছ অন্য কোন কাজে লাগে না → আগাছা ।

যে গাছ অন্য গাছকে আশ্রয় করে বাঁচে → পরগাছা ।

যে পুরুষ বিয়ে করেছে → কৃতদার ।

যে মেয়ের বিয়ে হয়নি → অনূঢ়া ।

যে ক্রমাগত রোদন করছে → রোরুদ্যমান (স্ত্রীলিঙ্গ → রোরুদ্যমানা) ।

যে ভবিষ্যতের চিন্তা করে না বা দেখে না → অপরিণামদর্শী ।

যে ভবিষ্যৎ না ভেবেই কাজ করে → অবিমৃশ্যকারী ।

অগ্র পশ্চাত বিবেচনা না করে কাজ করে যে → অবিমৃশ্যকারী

যে বিষয়ে কোন বিতর্ক/বিসংবাদ নেই → অবিসংবাদী ।

যে বন হিংস্র জন্তুতে পরিপূর্ণ → শ্বাপদসংকুল ।

যে সকল অত্যাচারই সয়ে যায় → সর্বংসহা ।

যে নারী বীর সন্তান প্রসব করে → বীরপ্রসূ ।

যে নারীর কোন সন্তান হয় না → বন্ধ্যা ।

যে নারী জীবনে একমাত্র সন্তান প্রসব করেছে → কাকবন্ধ্যা ।

যে নারীর স্বামী প্রবাসে আছে → প্রোষিতভর্তৃকা ।

যে স্বামীর স্ত্রী প্রবাসে আছে → প্রোষিতপত্নীক ।

যে পুরুষের চেহারা দেখতে সুন্দর → সুদর্শন (স্ত্রীলিঙ্গ → সুদর্শনা) ।

যে বৃক্ষের ফুল না হলেও ফল হয় → বনস্পতি।

যে রব শুনে এসেছে → রবাহুত ।

যে লাফিয়ে চলে → প্লবগ ।

যে নারী কখনো সূর্য দেখেনি → অসূর্যম্পশ্যা ।

যে নারীর স্বামী মারা গেছে → বিধবা ।

যে নারীর সম্প্রতি বিয়ে হয়েছে → নবোঢ়া ।

যা মর্ম স্পর্শ করে → মর্মস্পর্শী।

যা সহজে লাভ করা যায় → সুলভ।

যা সহজে ভেঙে যায় → ভঙ্গুর।

যা বালকের মধ্যেই সুলভ → বালসুলভ।

যা লাফিয়ে চলে → প্লবগ।

যা বুকে হাঁটে → সরীসৃপ।

বিচার নেই এমন → অবিচার্য।

বিনা পয়সায় → মুফত/মাগনা।

বিভিন্ন জাতি সম্পর্কীয় → বহুজাতিক।

বীরদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ → বীরশ্রেষ্ঠ।

ভয় নেই যার → নির্ভীক।

ভিক্ষার অভাব → দুর্ভিক্ষ।

ভাষা সম্পর্কে যিনি বিশেষ জ্ঞান রাখেন → ভাষাবিদ।

ভোজন করতে ইচ্ছুক → বুভুক্ষু।

ভাবা যায় না এমন → অভাবনীয়।

ভোজন করার ইচ্ছা → বুভুক্ষা ।

ভ্রমরের গান → গুঞ্জন।

মধুর ধ্বনি → মধুরা।

ময়ূরের ডাক → কেকা।

মন হরণ করে যা → মনোহর ।

মন হরণ করে যে নারী → মনোহারিণী ।

মরণ পর্যন্ত → আমরণ।

মধু সংগ্রহকারী পতঙ্গবিশেষ → মৌমাছি।

মর্মকে পীড়া দেয় যা → মর্মন্তুদ ।

মাটি ভেদ করে ওঠে যা → উদ্ভিদ ।

মায়ের মতো যে ভূমি → মাতৃভূমি।

মাটির তৈরি শিল্পকর্ম → মৃৎশিল্প।

মিষ্টি কথা বলে যে → মিষ্টভাষী।

মেধা আছে যার → মেধাবী।

মৃতের মতো অবস্থা → মুমূর্ষু।

মৃতের মত অবস্থা যার → মুমূর্ষু।

মুক্তি কামনা করে যে → মুক্তিকামী।

মৃত্তিকা দিয়ে নির্মিত → মৃন্ময়।

মুষ্টি দিয়ে যা পরিমাপ করা যায় → মুষ্টিমেয় ।

মৃত্তিকা দ্বারা নির্মিত → মৃন্ময় ।

মৃত গবাদি পশু ফেলা হয় যেখানে → ভাগাড় ।

যে গাছ অন্য গাছের ওপর জন্মে → পরগাছা।

যে নারীর পুত্রসন্তান হয়নি → অপুত্রক।

যে পরিণাম বোঝে না → অপরিণামদর্শী।

যে গাছে ফল ধরে, কিন্তু ফুল ধরে না → বনস্পতি।

যে জামাই শ্বশুরবাড়ি থাকে → ঘরজামাই।

যে মেয়ের বিয়ে হয়নি → অনূঢ়া।

যে পরে জন্মগ্রহণ করেছে → অনুজ।

যে জমিতে দুবার ফসল হয় → দো-ফসলা।

যে সংবাদ বহন করে → সাংবাদিক।

যে অত্যাচার করে → অত্যাচারী।

যে শব্দ বাধা পেয়ে ফিরে আসে → প্রতিধ্বনি।

যে অন্যের অধীন নয় → স্বাধীন।

পা থেকে মাথা পর্যন্ত → আপাদমস্তক ।

পূর্বজন্ম স্মরণ করে যে → জাতিস্মর ।

পান করার যোগ্য → পেয় ।

পান করার ইচ্ছা → পিপাসা ।

পরের অধীন → পরাধীন।

পা থেকে মাথা পর্যন্ত → আপাদমস্তক।

পরিহার করা যায় না এমন → অপরিহার্য।

পান করার যোগ্য → পেয়।

পাখির কলরব → কূজন।

পান করার ইচ্ছা → পিপাসা।

পা হতে মাথা পর্যন্ত → আপাদমস্তক।

পেছনে সরে যাওয়া → পশ্চাদপসরণ।

পুবের বাতাস → পুবালি।

পুরুষানুক্রমিক → ঐতিহ্য।

পুতুল পূজা করে যে → পৌত্তলিক।

প্রহরা দেয় যে → প্রহরী।

প্রতিভা আছে যার → প্রতিভাবান।

প্রিয় বাক্য বলে যে নারী → প্রিয়ংবদা ।

প্রাণ আছে যার → প্রাণী।

প্রাচীন ইতিহাস → প্রত্নতাত্ত্বিক।

প্রাণিদেহ থেকে লব্ধ → প্রাণিজ।

ফল পাকলে যে গাছ মরে যায় → ওষধি।

ফুল হতে জাত → ফুলেল।

বয়সে সবচেয়ে বড়ো যে → জ্যেষ্ঠ ।

বয়সে সবচেয়ে ছোটো যে → কনিষ্ঠ ।

বরণ করার যোগ্য → বরণীয়।

বনে বাস করে যে → বনবাসী।

বড় গ্রহকে ঘিরে যে ছোট গ্রহ ঘোরে → উপগ্রহ।

বাঘের ডাক → গর্জন।

ব্যাকরণ জানেন যিনি → বৈয়াকরণ ।

বেদ-বেদান্ত জানেন যিনি → বৈদান্তিক ।

বেশি কথা বলে যে → বাচাল।

বেঁচে আছে এমন → জীবিত।

বিদেশে থাকে যে → প্রবাসী ।

বিশ্বজনের হিতকর → বিশ্বজনীন ।

বিশ্বের যে নবী → বিশ্বনবী।

বিদেশে থাকে যে → প্রবাসী।

বিলম্বে নয় এমন → অবিলম্বে।

বিনা অপরাধে সংঘটিত হত্যা → গণহত্যা

বিচিত্রতায় পূর্ণ যা → বৈচিত্র্যপূর্ণ।

বিজ্ঞানের বিষয় নিয়ে গবেষণায় রত যিনি → বৈজ্ঞানিক

জানতে ইচ্ছুক → জিজ্ঞাসু ।

জ্বল জ্বল করছে যা → জাজ্বল্যমান ।

জয় করার ইচ্ছা → জিগীষা ।

জয় করতে ইচ্ছুক → জিগীষু ।

জানু পর্যন্ত লম্বিত → আজানুলম্বিত ।

জন্ম থেকে আরম্ভ করে → আজন্ম।

জানা আছে যা → জ্ঞাত।

জানা নেই যা → অজ্ঞাত।

জলে ও স্থলে চরে যে → উভচর।

জায়া ও পতি → দম্পতি।